Back to Home
ইঞ্জি. মো: জাহির হাসান (জাহিদ)

ইঞ্জি. মো: জাহির হাসান (জাহিদ)

সহ সমাজ কল্যাণ সম্পাদক পদপ্রার্থী

বুটেক্স অ্যালামনাই-৪০তম ব্যাচ| আইটিইটি সদস্য | ফিয়েব (FEAB) সদস্য | আইইবি (IEB) সদস্য

ব্যক্তিগত পরিচিতি

খুলনার মাটিতে জন্ম নেওয়া ইঞ্জি. মো. জাহির হাসান (জাহিদ) আজ বাংলাদেশের টেক্সটাইল রাসায়নিক শিল্পে একজন নিবেদিতপ্রাণ পেশাদার হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। মেধা, পরিশ্রম ও নেতৃত্বের সমন্বয়ে তিনি শুধু নিজের ক্যারিয়ারই গড়েননি, সাথে সাথে সমাজ ও পেশার মানুষদের জন্য অবিরত কাজ করে যাচ্ছেন।

শিক্ষা ও নেতৃত্বের ভিত্তি

জাহির হাসানের পড়াশোনার যাত্রা শুরু হয়েছিল খুলনার ঐতিহ্যবাহী খূলনা পাবলিক কলেজ থেকে। পড়াশোনার পাশাপাশি ছাত্রজীবন থেকেই তিনি বিভিন্ন সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে নেতৃত্ব দিয়ে প্রমাণ করেছিলেন যে তাঁর ভেতরে লুকিয়ে আছে এক সহজাত নেতার হৃদয়।

সাংগঠনিক ও সামাজিক অভিজ্ঞতা

বিশ্ববিদ্যালয় জীবনে তিনি ছিলেন বহুমুখী প্রতিভার অধিকারী। বুটেক্স বিজনেস ক্লাবের ভাইস-প্রেসিডেন্ট হিসেবে তিনি দায়িত্ব পালন করেছেন। এছাড়া, ওয়েট প্রসেস ইঞ্জিনিয়ারিং ক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য হিসেবে টেক্সটাইল প্রকৌশলের কারিগরি উন্নয়নে ভূমিকা রেখেছেন। বুটেক্সিয়ান সোসাইটি-এর মাধ্যমে ইফতার মাহফিল ও গেট-টুগেদার আয়োজন করে বুটেক্সিয়ানদের ঐক্যবদ্ধ রাখতে তিনি নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন। ফিয়েব (FEAB) এবং আইইবি (IEB)-এর একজন সক্রিয় সদস্য হিসেবে তিনি ইঞ্জিনিয়ারদের অধিকার ও পেশাগত উন্নয়নের পথে সর্বদা সোচ্চার।

জাহির হাসান কালিগঞ্জের শ্রীপুরের 'উত্তর শ্রীপুর সোসাইটি'-এর প্রতিষ্ঠাতা। এই সামাজিক সংগঠনের মাধ্যমে তিনি অসহায় মানুষদের বিভিন্নভাবে সহযোগিতা এবং তাদের কল্যাণে নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন।

পেশাগত সাফল্য

বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঠ শেষ করেই জাহির হাসান পোলাক্স কেমিক্যাল লিমিটেড-এ টেকনিক্যাল অ্যান্ড সেলস ম্যানেজার হিসেবে যোগ দিয়ে অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন। বর্তমানে তিনি ব্যবসার পরিধি শূন্য থেকে ১.৫ মিলিয়ন ইউএস ডলার (USD) পর্যন্ত উন্নীত করেছেন এবং ৩০টিরও বেশি নতুন গ্রাহক পোর্টফোলিওতে যুক্ত করেছেন। ইমপ্রেস নিউটেক্স এবং নিটেক্স ড্রেসেস লিমিটেড (মন্ডল গ্রুপ)-এ দায়িত্ব পালনকালে তিনি অল ওভার প্রিন্টিং (AOP) এবং কেমিক্যাল ফর্মুলেশনের ক্ষেত্রে উদ্ভাবনী সমাধান প্রদান করেছেন।

প্রতিশ্রুতি ও ভিশন

পেশাদার ব্যস্ততার মাঝেও জাহির হাসান সমাজের প্রতি দায়বদ্ধতা ভোলেননি। অসহায়দের পাশে দাঁড়ানো, নিয়মিত রক্তদান এবং নতুন প্রজন্মের ইঞ্জিনিয়ারদের ক্যারিয়ার গাইডলাইন প্রদানসহ নানা সামাজিক কাজে তিনি সর্বদা নিজেকে নিয়োজিত রেখেছেন। আমি বিশ্বাস করি সম্মিলিত আলোচনার মাধ্যমে যেকোনো জটিল সমস্যার সমাধান সম্ভব।

আমার ভিশন:
১) টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারদের অবদান ও সাফল্যের গল্পগুলোকে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে তুলে ধরা।
২) আধুনিক প্রযুক্তির সমন্বয়ে ইঞ্জিনিয়ারদের জন্য একটি শক্তিশালী নেটওয়ার্কিং প্ল্যাটফর্ম গড়ে তোলা।
৩) কর্মক্ষেত্রে টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারদের বিভিন্ন সমস্যা চিহ্নিত করা এবং তা সমাধানে আইটিইটি (ITET)-এর পক্ষ থেকে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা।