Back to Home
ইঞ্জি. মো:  আখতারুজ্জামান টনি

ইঞ্জি. মো: আখতারুজ্জামান টনি

সহ প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক পদপ্রার্থী

Corporate Responsibility Specialist — Climate

Otto International (HK) Ltd.  |  বুটেক্স অ্যালামনাই  |  আইটিইটি সদস্য। আইইবি সদস্য

 

◆  ভূমিকা

ঠাকুরগাওয়ের সবুজ মাটিতে জন্ম নিয়ে, রাণীশংকৈলের ছোট উপজেলা থেকে উঠে আসা ইঞ্জি. আখতারুজ্জামান আজ বাংলাদেশের টেক্সটাইল শিল্পের বিশ্বমানের টেকসই সাস্টেইনাবিলিটি বিশেষজ্ঞ হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। মেধা, পরিশ্রম ও নেতৃত্বের সমন্বয়ে তিনি শুধু নিজে র ক্যারিয়ারই গড়েননি, সাথে সাথে সমাজ ও পেশার মানুষদের জন্য অবিরাম কাজ করে যাচ্ছেন।

◆  শিক্ষাজীবন

আখতারুজ্জামানের পড়াশোনার যাত্রা শুরু হয়েছিল ঠাকুরগাওয়ের ঐতিহ্যবাহী রাণীশংকৈল পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় থেকে। ২০১৩ সালে তিনি এসএসসি পরীক্ষায় অর্জন করেন গোল্ডেন এ প্লাস, জিপিএ ৫। শুধু পড়াশোনার মধ্যেই নিজেকে সীমিত না রেখে, স্কুল জীবন থেকেই তিনি বিতর্ক, ইংরেজি বক্তৃতা ও বিভিন্ন অনুষ্ঠান আয়োজনে নেতৃত্ব দিয়ে প্রমাণ করেছিলেন যে তাঁর ভেতরে লুকিয়ে আছে এক সহজাত নেতার হৃদয়।

এসএসসির পর তিনি ভর্তি হন নীলফামারীর সৈয়দপুর বিজ্ঞান কলেজে। ২০১৫ সালে এইচএসসিতেও তিনি অর্জন করেন জিপিএ ৫। পড়াশোনার পাশাপাশি বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় গোলক নিক্ষেপে প্রথম স্থান অর্জন করে প্রমাণ করেন যে মেধার পাশাপাশি শারীরিক সবলতায়ও তিনি কম যান না।

বিশ্ববিদ্যালয় জীবনে তিনি ছিলেন বহুমাত্রিক। ক্লাশ রিপ্রেজেন্টেটিভ (সিআর) হিসেবে ক্লাশ ও ল্যাব সমন্বয় করেন। বুটেক্স ডিবেটিং ক্লাবের অফিস সম্পাদক হিসেবে কাজ করেছেন, আরটিভির বহুল আলোচিত ‘রোড টু ডেমোক্র্যাসি’ টকশোতে অংশগ্রহণ করেছেন এবং বিভিন্ন জাতীয় বিতর্কে অংশ নিয়েছেন। বুটেক্স বিজনেস ক্লাবের ডিরেক্টর অব অ্যাডমিনিস্ট্রেশন হিসেবে তিনি দুটি ইন্টার-ইউনিভার্সিটি কেস কম্পিটিশন সফলভাবে আয়োজন করেন। গবেষণায়ও তিনি নিজেকে সমানভাবে নিয়োজিত রেখেছেন । ৩টি গবেষণা প্রকল্পে অংশ নিয়ে একটি Review Paper ও একটি Experimental Paper প্রকাশ করেছেন। সাথে ইসলামি ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় তথ্য ও প্রযুক্তি বিভাগে দীর্ঘদিন দায়িত্ব পালন করেন , সোশ্যাল মিডিয়া ক্যাম্পেইন, আইটি ওয়ার্কশপ ও প্রযুক্তি গবেষণায় রেখেছেন সক্রিয় ভূমিকা। নিজের উপজেলার শিক্ষার্থীদের একত্র করতে United Forum of Ranisankail (UFR) প্রতিষ্ঠাতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন।

◆  প্রফেশনাল ক্যারিয়ার

বিশ্ববিদ্যালয়ের পাট শেষ করেই ইঞ্জি. টোনি নিজেকে নিয়োজিত করেন সাস্টেইনাবিলিটি বিশেষজ্ঞ হিসেবে। ২০২২ সালে তিনি যোগ দেন Reed Consultancy Bangladesh-এ সাস্টেইনাবিলিটি ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে। সেখানে তিনি মাত্র ৩ বছরে ১৫০বেশি কারখানায় ২২০তিরও বেশি পরিবেশ অডিট পরিচালনা করেন । নিট, ওভেন, ডেনিম, যার্ন ডাইইং ও গার্মেন্ট ওয়াশিংসহ ৫০টি কারখানার ২০০তিরও বেশি উৎপাদন প্রক্রিয়া সংশোধন করে পানি ও শক্তি সাশ্রয়ী করেন। বিশ্বমানের ব্র্যান্ডগুলো যেমন H&M, M&S, VF Corporation, PUMA, ALDI, Tchibo-র সাপ্রাইয়ার কারখানাগুলোর সাথে কাজ করে তিনি আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে বাংলাদেশের টেকস্টাইল শিল্পকে প্রতিনিধিত্ব করেছেন।

তাঁর দক্ষতা ও খ্যাতির স্বীকৃতি হিসেবে ২০২৫ সালে তিনি আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান Otto International (HK) Ltd.-এ Corporate Responsibility Specialist Climate পদে যোগ দেন। আন্তর্জাতিক এই প্রতিষ্ঠানে তিনি টেক্সটাইল কারখানাগুলোকে Net Zero Target পৌঁছাতে পরিবেশ ব্যবস্থাপনা, শক্তি ও পানি সাশ্রয়ী উৎপাদন  INDITEX সাপ্রাইয়ার-কে Net Zero লক্ষ্যমাত্রায় পৌঁছাতে পরামর্শ দিয়েছেন তিনি। বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের জন্য দেশের ন্যাশনাল কেমিক্যাল রুলস প্রণয়নে অবদান রাখার মাধ্যমে তিনি জাতীয় নীতিনির্ধারণেও অংশ রেখেছেন, যা তাঁর পেশাদারিত্বের গভীরতার প্রমাণ।

◆  সামাজিক কার্যক্রম

পেশাদার ব্যস্ততার মাঝেও ইঞ্জি. আখতারুজ্জামান সমাজের প্রতি দায়বদ্ধতা ভুলননি। Forum of Engineers and Architects Bangladesh (FEAB)-এর সদস্য হিসেবে ইঞ্জিনিয়ারদের একত্র করা, রক্তদান ও বিপদে পাশে দাঁড়ানোর কাজ করে যাচ্ছেন। BUTEXian Society-র মাধ্যমে বুটেক্সিয়ানদের জন্য ইফতার আয়োজন, চাকুরি ও আবাসন খুঁজে পাওয়ায় সহায়তা করে যাচ্ছেন। তাঁর সবচেয়ে গর্বের বিষয় হলো United Forum of Ranisankail (UFR) এর সাথে তাঁর সম্পৃক্ততা ,বন্যার্তদের পাশে ত্রাণ নিয়ে দাঁড়ানো, শীতবস্ত্র বিতরণ, মেধা অন্বেষণ প্রতিযোগিতা ও ক্যারিয়ার গাইডলাইন প্রোগ্রামের মাধ্যমে নিজ এলাকার পিছিয়ে পড়া মানুষদের পাশে দাঁড়িয়েছেন তিনি সবসময়।

◆ সহ প্রচার ও প্রকাশনা  সম্পাদক পদে নির্বাচিত হলে যা করবেন

 

১)টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারদের অবদান ও সাফল্যকে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে প্রকাশনা ও ডিজিটাল কনটেন্টের          মাধ্যমে তুলে ধরা

২ )ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ‘টেক্সটাইল টিভি’ চালু করে টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারদের কণ্ঠস্বর বিশ্বমানে প্রতিষ্ঠিত করা

   ৩)কর্মক্ষেত্রে টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারদের বিভিন্ন প্রতিকূলতা তুলে ধরা ও তা সমাধানে সচেষ্ট থাকা।